অপরাধ আইন সাধারণ আইন

জিডি কি? কিভাবে জিডি করতে হয় বা থানায় জিডি করার নিয়ম

শ্যামলের একদিন সাভার থেকে বাসে উঠার সময় মোবাইলটি হারিয়ে গেল। কেউ হয়তো বাসে উঠার সময় শ্যামলের মোবাইলটি চুরি করে নিয়ে নেয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও শ্যামল মোবাইলটি পেল না। শ্যামলের চুরি হওয়া মোবাইলটি বেশি দামী না। কিন্তু যদি কোন ব্যক্তি চুরি হওয়া মোবাইলটি দ্বারা কোন অপরাধমূলক কার্যক্রম সংঘঠিত করে তার জন্য কিন্তু পুলিশ শ্যামলকেই দায়ী করবে। কেননা মোবাইলটি শ্যামলের। তাই এধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা ঝামেলা থেকে বাঁচার জন্য শ্যামলকে তার চুরি হওয়া মোবাইলটি সম্পর্কে নিকটস্থ থানায় একটি লিখিত দরখাস্তের মাধ্যমে জানানো উচিৎ। এটাই জিডি নামে পরিচিত। শ্যামলের একদিন সাভার থেকে বাসে উঠার সময় মোবাইলটি হারিয়ে গেল। কেউ হয়তো বাসে উঠার সময় শ্যামলের মোবাইলটি চুরি করে নিয়ে নেয়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও শ্যামল মোবাইলটি পেল না। শ্যামলের চুরি হওয়া মোবাইলটি বেশি দামী না। কিন্তু যদি কোন ব্যক্তি চুরি হওয়া মোবাইলটি দ্বারা কোন অপরাধমূলক কার্যক্রম সংঘঠিত করে তার জন্য কিন্তু পুলিশ শ্যামলকেই দায়ী করবে। কেননা মোবাইলটি শ্যামলের। তাই এধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা ঝামেলা থেকে বাঁচার জন্য শ্যামলকে তার চুরি হওয়া মোবাইলটি সম্পর্কে নিকটস্থ থানায় একটি লিখিত দরখাস্তের মাধ্যমে জানানো উচিৎ। এটাই জিডি নামে পরিচিত।
এখানে শ্যামলকে মূলতঃ দু’টি কারণে থানায় মোবাইল হারানোর সংবাদ দিয়ে জিডি করতে হবে।
 প্রথমটি হলো Ñ পুলিশ প্রথম যেদিন মোবাইলটি খুঁজে পায় পুলিশ যেন তাহলে সেই মোবাইলটি শ্যামলকে ফিরিয়ে দেয়।
 দ্বিতীয়টি হলো Ñ হারানো মোবাইলটি দ্বারা যদি কোন অপরাধ সংঘটিত তার জন্য যেন পুলিশ শ্যামলকে সন্দেহ বা দায়ী না করে।
আপাতঃদৃষ্টিতে আমাদের কাছে জিডি করা অমূলক মনে হলেও প্রকৃত পক্ষে জিডির অনেক গুরুত্ব আছে।
আসুন এবার আমরা দেখি জিডি কি? জিডি পুরো শব্দ হলো এবহবৎধষ উরধৎু বা সাাধারণ ডায়েরী । সাধারণতঃ কোন কিছু হারিয়ে গেলে, চুরি হলে বা কোন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে নিকটস্থ থানায় উক্ত ঘটনা উল্লেখ করে জিডি করতে হয়। জিডি প্রাত্যহিক জীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জিডি করার পর পুলিশের নিয়ম হলো ২৪ ঘন্টার মধ্যে তদন্ত করে রিপোর্ট তৈরী করা। জিডির ভিত্তিতে অনেক মামলা হয়।
কি কি কারণে আমরা জিডি করব?
যদি আমাদের গুরুত্বপূর্ণ কোন জিনিস, যেমনÑ দলিল, পাসপোর্ট, চেক বই, ডেভিট কার্ড/ক্রেডিট কার্ড, মোবাইাল, সার্টিফিকেট বা অন্য কোন কাগজপত্র হারানোর পরে আপনার ক্ষতি হতে পারে এবং পুনঃউত্তোলন করা দরকার এক্ষেত্রে আমরা জিডি করতে পারি।
এছাড়া কোন ব্যক্তির নিকট থেকে আমরা হুমকি পেলে, কোন বিপদের আশঙ্কা থাকলে বা কোন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিলেও আমরা জিডি করতে পারি।
কিভাবে জিডি করতে হয়?
এখানে শ্যমলকে তার চুরি হওয়া মোবাইল সম্পর্কে জিডি করার জন্য তার নিকটস্থ থানায় গিয়ে কোন পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে কিভাবে, কোথায় থেকে, কখন মোবাইলটি চুরি হয় তার বর্ণনা দিয়ে একটি আবেদন পত্র লিখতে হবে। দরখাস্তের হুবহু দু’টি কপি লিখতে হবে। এরপর উক্ত দরখাস্তটি নিয়ে উক্ত থানায় ডিউটি অফিসারের নিকট দরখাস্তটি জমা দিতে হবে। ডিউটি অফিসার দরখাস্তটি দেখে সন্তুষ্ট হলে আপনার নাম লিখে দরখাস্তে তিনি স্বাক্ষর ও সিল দিয়ে দিবেন। এরপর দরখাস্তকারীর প্রদত্ত দুই কপি থেকে একটি কপি তিনি থানার জন্য রেখে দিবেন এবং অন্য কপিটি তিনি দরখাস্তকারীকে দিয়ে দিবেন।
থানা থেকে প্রদত্ত জিডি কপিটি আমাদেরকে নিজের প্রয়োজনে ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করে রাখতে হবে।
এছাড়া যদি হারানো ফড়পঁসবহঃ আমাদেরকে পুনরায় তুলতে হয় তবে জিডি কপিটি ব্যবহার করতে পারব। আমাদেরকে এ কথাটা মনে রাখতে হবে যে জিডি করতে কোন টাকার প্রয়োজন হয় না।

Leave a Reply