অপরাধ আইন সাধারণ আইন

গ্রেফতারের পর আমরা জামিন কিভাবে করাবো?

অমল একজন ছাত্র। সে একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে। গতকাল রাতে তাদের বাড়ী থেকে একটি মোটরবাইক চুরি হয়। এবং উক্ত বাইকটির মালিক ছিল রাজিব। রাজীব তার বাইক চুরির ঘটনায় নিকটস্থ সাভার থানায় গিয়ে অমল সহ আরো ৮ জনকে আসামী করে একটি চুরির মামলা দায়ের করে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে অমল উক্ত মোটর বাইকটি চুরির ব্যাপারে কিছুই জানে না। এমন কি বাইকের মালিক রাজীব যে তাকে চুরির মামলায় আসামী করে নাম দিয়েছে সেই ব্যাপারেও তার কিছু জানা নেই। মামলা দায়েরের পরবর্তীতে পুলিশ নিরপরাধ অমলকে বাড়ী থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় এবং পরের দিন অমলকে কোর্টে চালান করে দেয়।

এদিকে অমলের অসহায় পিতা রবাট অমলকে মুক্ত করতে কোর্টে যায়। কিন্তু কোর্টের নিয়মকানুন সম্পর্কে রবাটের কোন ধারণা নেই। কিভাবে একজন আইনজীবিকে নিয়োগ করতে হবে, কিভাবে অমলকে মুক্ত করতে হবে এ সমস্ত ব্যাপারে তার কোন ধারণা নেই। এই পরিস্থিতিতে অমলের বাবার কি কি করণীয় আছে?
এখানে চাইলে প্রথমেই রবাট একজন আইনজীবিকে তার পুত্র অমলকে মুক্ত করার জন্য মামলা পরিচালনার সকল দায়িত্ব দিয়ে দিতে পারে অথবা তিনি চাইলে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিজেই করে রাখতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে যদি রবাট কিছু কাজ নিজেই করে রাখতে পারে সেক্ষেত্রে তিনি একটু বাড়তি কিছু সুবিধা পাবে। যেমন আইনজীবি যদি জানতে পারেন রবাটের জামিন সম্পর্কে কোন ধারণা নেই সেক্ষেত্রে আইনজীবি রবাটের কাছ থেকে অনেক বেশি বাড়তি টাকা চাবে। কিন্তু আইনজীবি যদি বুঝতে পারে রবাটের জামিন সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা আছে সেক্ষেত্রে আইনজীবি কিন্তু রবাটের কাছ থেকে বেশি বাড়তি টাকা চাবে না। ন্যায্য যে টাকা সেটা দাবী করবে। তাহলে রবাটকে এখন যে কাজটি করতে হবে তা হলো তাকে প্রথমেই যেতে হবে উক্ত কোর্টের এজ সেকশনে। প্রতিটি কোর্টে একটি এজ সেকশন থাকে যেখানে উক্ত কোর্টে এখতিয়ারধীন যতগুলি থানা আছে সবগুলো থানার জন্য পৃথক পৃথক সেকশন থাকবে। যেহেতু এই মামলায় অমলকে সাভার থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে সেহেতু রবাটকে সাভার থানার এজ সেকশনে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে একজন দায়িত্বরত কর্মকর্তাকে আসামীর নাম, তার পিতার নাম এবং কোন তারিখে গ্রেফতার করা হয়েছে এই সব দিয়ে যদি তল্লাসি দেয়া হয় তাহলে সেখান থেকে অমলের মামলাটা কত নম্বরে মামলা হয়েছে সে সম্পর্কে একটা তথ্য পাওয়া যাবে। একই সাথে উক্ত মামলার কর্মকর্তাকে ঐ মামলার সমস্ত নথিপত্রের এক কপি নকল প্রদানের জন্য বলতে হবে। নথিগুলো সাধারণতঃ ১০/১৫ মিনিটের মধ্যেই পাওয়া যায়। এই নথিগুলো তুলতে আমাদের সামান্য কিছু টাকা পয়সা দিতে হবে।
মামলার নথিপত্র তোলার পর রবাটকে এবার উক্ত মামলার ঋওজটি পড়তে হবে এবং আসামীকে কোন কোন ধারায় মামলা দেওয়া হয়েছে তা দেখতে হবে।

বাংলাদেশ আইনে অপরাধগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
 জামিনযোগ্য অপরাধ;
 জামিন অযোগ্য অপরাধ;
(১) জামিনযোগ্য অপরাধ : যে অপরাধের ক্ষেত্রে আসামী এমনিতেই আইনত জামিন পাওয়ার অধিকারী  হন অর্থাৎ সাধারণতঃ কোর্ট তাকে এমনিতেই জামিন দিয়ে দেয় সেই ধরণের অপরাধগুলোকে জামিনযোগ্য অপরাধ বলা হয়। জামিনযোগ্য অপরাধগুলোর কিছু নমুনা-
 দন্ড বিধি   ৩২৩ ধারায় মারামারির মামলা
 দন্ড বিধি   ৪২০ ধারায় প্রতারণার মামলা

এছাড়া আরো অনেক মামলা আছে যেগুলো জামিনযোগ্য অপরাধ।
জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামী পক্ষ জামিন আবেদন করলে কোর্ট সাধারণতঃ প্রথম দিনই জামিন দিয়ে দিবে। আমি যদি  দেখি আমার বিরুদ্ধে যে মামলাটি হয়েছে সেই মামলাটি যদি জামিনযোগ্য ধারায় অপরাধ হয় সেক্ষেত্রে অনেক খরচ করে অনেক বড় ধরনের আইনজীবি নেয়ার কোন প্রয়োজন নেই। অল্প খরচের মধ্যেই একজন আইনজীবি নিলেই হবে।
(২) জামিন অযোগ্য অপরাধ : যে অপরাধের ক্ষেত্রে আদালত আসামীদের জামিন দিতেও পারে আবার না-ও দিতে পারে সেগুলিকেই জামিন অযোগ্য অপরাধ বলে। এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন দেয়া বা না দেয়া আদালতের একান্ত মর্জির ব্যাপার। তবে এখানে একটা মজার বিষয় হলো জামিন অযোগ্য ধারার অপরাধগুলো মধ্যে আবার কিছু অপরাধ আছে যেগুলো একটু কম গুরুতর। আবার কিছু অপরাধ আছে যেগুলো অনেক বেশি গুরুতর অপরাধ হিসাবে কোর্ট সাধারণতঃ গণ্য করে।
এখন আমরা দেখি জামিন অযোগ্য কিন্তু কমগুরুতর অপরাধগুলো কি কি?
দন্ড বিধি ৩৮০ ধারা   চুরির মামলা  দন্ড বিধি ৪০৬ ধারা   অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গের মামলা  নারী নির্যাতন দন্ড আইনের ১১ (গ) ধারায় মামলা
সাধারণতঃ এই মামলাগুলো কিন্তু জামিন অযোগ্য। জামিন অযোগ্য হলেও কি হবে। এই মামলাগুলো সাধারণতঃ কোর্ট মনে করে অত বেশি গুরুতর অপরাধ না। এই ধরণের অপরাধের ক্ষেত্রে কোর্ট সাধারণতঃ আসামীদের ১ থেকে ৩০ দিনের মধ্যেই জামিন দিয়ে দেয়।
আমাদের মামলাটি যদি জামিন অযোগ্য কিন্তু কম গুরুতর ধারায় হয়ে থাকে তবে আমাদেরকে মোটামুটি ভাল আইনজীবি নিতে হবে।

এবার আমরা দেখি জামিন অযোগ্য কিন্তু বেশি গুরুতর অপরাধগুলো কি কি?
 দন্ড বিধি ৩০২ ধারায়   খুনের মামলা
 দন্ড বিধি ৩৯৫ ধারায়   ডাকাতির মামলা

মানব পাচার মামলা, ধর্ষণের মামলা, ইয়াবা ব্যবসায়ীর মামলা ইত্যাদি মামলাগুলো জামিন অযোগ্য এবং খুবই গুরুতর মামলা হিসাবে কোর্ট চিহিৃত করে।

ই ধরণের অপরাধের ক্ষেত্রে কোর্ট সাধারণতঃ আসামীকে জামিন প্রদান না করে রিমান্ডে/জেল হাজতে প্রেরণ করে। তবে এই অপরাধগুলোর ক্ষেত্রেও কোর্ট সাধারণতঃ আসামীদের ১ মাস থেকে ৬ মাসের মধ্যে জামিন দিয়ে থাকে।
আমাদের মামলাটি যদি জামিন অযোগ্য কিন্তু বেশি গুরুতর ধারায় হয়ে থাকে তবে আমাদেরকে অবশ্যই একজন ভাল আইনজীবি নিতে হবে। কেননা ভাল আইনজীবিরা কোর্টে একটু বাড়তি সুবিধা পেয়ে থাকে।
আমাদের মনে রাখতে হবে কোর্টে প্রচুর টাউটে ভরা। যারা আমাদেরকে বলবে জামিন অযোগ্য ও গুরুতর অপরাধের মামলাগুলো দু’এক দিনের মধ্যেই জামিন করিয়ে দিবে। কিন্তু মামলা নেওয়ার পর দেখা যায় বাস্তব চিত্র পুরো উল্টো। আমাদেরকে বাস্তবটা আসলেই বুঝতে হবে। কেননা এই ধরণের মামলাগুলোর ক্ষেত্রে বিচারক নিজেও ১ দিনের ভিতরে জামিন দিতে পারবে না। তাদেরও কিছু নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়। তবে কিছু ভাল আইনজীবি আছে যারা তাদের সুন্দর যুক্তি তর্ক দিয়ে এই মামলাগুলো দ্রুত জামিন করিয়ে দিতে পারে। তাই গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে ১/২ দিনের মধ্যে জামিন কখনও সম্ভব না।
আমরা যদি আবার অমলের মামলাটিতে ফিরে যাই তাহলে কি দেখতে পাই? এখানে অমলের মামলাটি বা অপরাধটি যেহেতু একটি চুরির মামলা তাই এটাকে আমরা জামিন অযোগ্য কিন্তু কম গুরুতর অপরাধ হিসাবে চিহিৃত করা যায়। সুতরাং এখানে অমলের বাবা রবাটকে তার পুত্রের জন্য একজন মোটামুটি ভাল আইনজীবিকে নিয়োগ করতে হবে।
আমরা ধরে নেই রবাট জামিনের জন্য মামলাটি অসীম নামক একজন আইনজীবিকে মামলাটি প্রদান করল। এখন আমরা দেখি মামলাটি নেওয়ার পর উক্ত আইনজীবি পরবর্তী কার্যক্রমগুলো কিভাবে পরিচালনা করে।
প্রথম ধাপ
প্রথমে আইনজীবিকে উক্ত মামলার আসামী অমলের কাছ থেকে মামলা পরিচালনার ক্ষমতা নেওয়ার জন্য ওকালত নামায় অমলের স্বাক্ষর থাকতে হবে। অর্থাৎ আসামী অমল যে অসীম নামক এই আইনজীবিকে তার মামলাটি পরিচালনার জন্য ক্ষমতা দিয়েছে সেই মর্মে একটি ওকালত নামায় অমলের স্বাক্ষর থাকতে হবে। এখানে আমাদের মনে রাখতে হবে ওকালতনামায় সব সময়ই শুধুমাত্র আসামীর স্বাক্ষর থাকতে হবে। অন্য কারো স্বাক্ষর গ্রহণযোগ্য না।
সাধারণতঃ গ্রেফতারের পরের দিন সকল আসামীদের কোর্টে হাজির করা হয়। সুতরাং আইনজীবি এখানে উক্ত ওকালতনামাটি নিয়ে কোর্টে আসামীদের যেখানে রাখা হয় সেখানে গিয়ে অমলের কাছ থেকে ওকালতনামাটি স্বাক্ষর করিয়ে নিতে হবে। আর যদি আসামী জেল হাজতে থাকে তবে উক্ত ওকালতনামাটি উক্ত হাজত থেকে নিয়ম অনুসারে অমলের স্বাক্ষর করিয়ে আনতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপ
ওকালতনামায় অমলের স্বাক্ষর নেওয়ার পর এখন আইনজীবিকে যে কাজটি করতে হবে তা হলো অমলের জামিন চাওয়ার জন্য অমলের জামিনের আবেদন পত্র বা বেল প্রিটিশন লিখতে হবে।
এখানে আমাদেরকে আরেকটি কথা মনে রাখতে হবে যে এজ রুম থেকে যে নথিপত্রগুলো তোলা হয়েছে সেখানে যদি আমরা দেখতে পাই যে পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করেছে সেক্ষেত্রে আমাদেরকে জামিনের আবেদন পত্রের সাথে আরেকটি আবেদন পত্র করতে হবে তা হলো রিমান্ড বাতিলের জন্য আবেদন।
এবার আইনজীবিকে পিটিশন ওকালতনামা ও কোর্ট ফি সহ অন্যান্য আনুসাঙ্গিক কাগজপত্র নিয়ে কোর্টের সাভার জি আর রুমে যেতে হবে এবং সেখানে গিয়ে সকল মামলার কাগজপত্রগুলো জমা দিতে হবে। এজঙ-এর কাছ থেকে আমাদেরকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নিতে হবে, যেমন আসামীকে আজকে কোন কোর্টে হাজির করা হবে এবং কোন সময়ে হাজির করা হবে ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলি আমরা  এজঙ-এর কাছ তেকে জেনে নিতে পরব।
তৃতীয় ও শেষ ধাপ
অমলের আইনজীবিকে নিদিষ্ট কোর্টে এবং নিদিষ্ট সময়ে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে। উক্ত কোর্টে আসামীর নাম ও মামলার নম্বর ধরে ডাকা হবে। আমাদের মামলাটির সময় হলে আসামীকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থিত করা হবে।
এখানে আইনজীবিকে উক্ত জামিনের স্বপক্ষে কিছু মৌখিক যুক্তিও তুলে ধরতে হবে।
সব কিছু বিবেচনায় নিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তোষ্ট হন তবে কিছু শর্তে আসামীকে জামিন প্রদান করবেন।
শেষ কথা
আমাদের পবিত্র সংবিধানের আরট্রিকেল ২৩-এ পরিষ্কারভাবে উল্লেখ আছে কারো অধিকার ন্যায়সংগত কারণ ছাড়া হরণ করা যাবে না। মনে রাখতে হবে যে একজন মানুষ যখন কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত সে নির্দোষী। তাহলে কেন সে জামিন পাবে না। ব্যাক্তিগত স্বাধীনতা একটি মৌলিক অধিকার, এবং এটা জামিনের সাথে জড়িত। তাই জামিনকে খাটো করে দেখার উপায় নেই বা ঠিক হবে না অজামিনযোগ্য মানে না জামিন দেয়া যাবে না। জামিন পাওয়া একট অধিকার।

তবে জামিন দেওয়ার আগে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্বের বিষয়গুলি বিবেচনা করে দেখবেন-
জামিনের জন্য এই বিষয়গুলি দেখতে হবে-
 সম্ভাব্যতা/মেরিট আছে কি না;
 লোকটা জামিন দিলে ভাগবে কিনা বা পালাবে কিনা;
 জামিন দিলে সাক্ষীদের প্রভাবিত করবে কি না;
 সে জামিনের শর্তগুলি পূরণ করবে কি না;
 সে নিয়মিত হাজিরা দিবে কি না;
 জামিন থাকাকালনি আবার অপরাধ করবে কি না;
 ৩০২ ধারায় অপরাধ জামিন খুব কঠিন-জেনুয়িন গ্রাউন্ড লাগবে;
 মেয়েদের ১৬ বৎসরের নীচে জামিন অবশ্যই দিতে হবে; জামিন আবেদন যতখুশি করা যাবে;

একটি জামিনের আবেদন:

মাননীয় সি এম এম সাহেব আদালত, ঢাকাসূত্র : সাভার সদর থানার মামলা নং ১(১)৯৪ধারা ৪২০/৪০৬ দ: বি:
রাষ্ট ——বাদী         বনাম    জন গমেজ —– বিবাদী

বিষয় : জামিনের জন্য দরখাস্ত
দরখাস্তকারীর পক্ষে বিনীত নিবেদন এই যে,
(১) দবখাস্তকারী ( আসামী) সম্পূর্ণরপে নির্দোষ। তাহাকে নিছক হয়রাণী করার জন্য সূত্রে উল্লেখিত মামলায় জড়িত করা হয়েছে।
(২) দরখাস্তকারী সূত্রে উল্লেখিত মামলায় বাদীর আনীত অভিযোগের সাথে কোনভাবেই জড়িত না।
(৩) দবখাস্তকারীকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য সূত্রে বর্ণিত মামলায় জড়িত করা হয়েছে।(৪) দরখাস্তকারী খুবই নিরীহ এবং সহজ সরল প্রকৃতির লোক বটে।
(৫) দরখাস্তকারী সামান্য আয়ের উপরে নির্ভর করে দিনাতিপাত করেন।
(৬) দরখাস্তকারীকে জামিনে মুক্তি না দিলে তার পরিবার খুবই কষ্টের মধ্যে পতিত হবে।
(৭) সূত্রে উল্লেখিত মামলার ধারা সমূহের কোন উপাদান দরখাস্তকারীর বিরুদ্ধে বিদ্যমান নাই।
(৮) দরখাস্তকারী জামিনে মুক্তি দিলে পালাবে না। তার পক্ষে সন্তুষ্টি অনুযায়ী  জামিনদার দেওয়া হবে।
(৯) অন্যান্য বক্তব্য শুনানিকালে পেশ করা হবে।

অতএব প্রার্থনা, উপরাক্ত অবস্থা ও কারণাধীনে ন্যায় বিচারের স্বার্থে এবং মানবিক কারণে দরখাস্তকারীকে                                 জামিনে মুক্তি প্রদানের আদেশ দানে   হুজুরের মর্জি হয়। তাং-
অসীম গমেজ

Leave a Reply